Showing posts with label Facebook. Show all posts
Showing posts with label Facebook. Show all posts

ফেসবুক জরিপ ২০১৫

দেশের সেরা নিউজপেপার দৈনিক ভোগাস নিউজ এর পক্ষ থেকে ফেসবুক নিয়ে একটি জরিপ করা হয়েছে নিম্নে সাধারণ জনগনের জন্য জরিপটির ফল প্রকাশ করা হলো:

১. ফেসবুকে সবচেয়ে বেশী স্ট্যাটাস বাংলাদেশ ।
২. ফেসবুকে সবচেয়ে বেশী অনলাইন বাংলাদেশ।
৩. ফেসবুকে সবচেয়ে বেশী ফটো আপলোড ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড [মেয়ে]।
৪. ফেসবুকে সবচেয়ে বেশী শেয়ার, ব্রাজিল, পর্তুগাল, ম্যাক্সিকো।
৫. ফেসবুকে সবচেয়ে বেশী লাইক, স্পেইন।
৬. ফেসবুকে সবচেয়ে বেশী কমেন্ট, জার্মানী, বাংলাদেশ।
৭. ফেসবুকে সবচেয়ে বেশী গ্রুপ, বাংলাদেশ, ফিলিপাইন।
৮. ফেসবুকে সবচেয়ে বেশী ফেক আই ডি, ইন্ডিয়া।
৯. ফেসবুকে সবচেয়ে বেশী ইসলামিক গ্রুপ পাকিস্থান, বাংলাদেশ।
১০. ফেসবুকে সবচেয়ে বেশী আজাইরা ছেলে মেয়ে বাংলাদেশ

উল্লেখ্য উক্ত জরিপ এর জন্য ফেসবুক কতৃপক্ষ দৈনিক ভোগাস নিউজ এর সম্পাদককে ”হালারপো” বিশেষ উপাধীতে ভুষিত করেছেন এবং নিকট ভবিষ্যতে ফেসবুক নিয়ে যেকোন সংবাদ প্রচারণায় জুতারবার্গ এর অনুমতি নিতে অনুরোধ করেন।
Read More »

২০১৭ সালে ফেসবুকে যা ঘটবে

ফেসবুক বাংলাদেশ: ২০১৭ সালের কোন এক দিন সকাল পৌণে সাতটায় এসে লাইনে দাঁড়িয়েছে শাওন, এখন সাড়ে দশটা, লাইন যেয়ে মেইনরোড পর্যন্ত ঠেকেছে, আগারগাঁও জাতীয় ফেসবুক অফিসের সামনে প্রতিদিনই এমন ভিড়বাট্টা হয় আজকাল। মাঝখানে কয়েকবার দুয়েকজন দালাল এসে শাওনকে চোখ টিপি দিয়ে গেছে, শাওন পাত্তা দিচ্ছেনা, সে দালাল ছাড়াই ফেসবুক একাউন্ট খুলবে সেটা তার জেদ। দালালদের দৌরাত্ন্য খুব বেশী, দালাল এড়াতে ফেসবুক একাউন্ট বানানোর দায়িত্ব সেনাবাহিনীর উপর ন্যস্ত করার চিন্তা ভাবনা চলছে।

জাতীয় ফেসবুক অফিসে এটা শাওনের তৃতীয় দিন, এর আগে দুইবার এসেছিলো। যারা দালাল ধরেছিলো তাদের কিছু করতে হয়নাই, কাগজপত্র নিয়ে দালাল ভেতরে ঢুকে গেছে তারপর হাসি হাসি মুখ করে সবাইকে এসে টোকেন দিয়ে দিয়েছে, টোকেন পাওয়ার পর পুলিশ ভেরিফিকেশন হবে সেটাও দালালরাই দেখবে বলেছে, পুলিশ ভেরিফিকেশনের পর আবার অফিসে এসে ফিঙ্গারপ্রিন্ট আর ছবি দিয়ে ফেসবুক একাউন্ট খুলতে হয়। দালালদের কিছু টাকা বেশী দিলে নাকি দুই তিনবার ছবি তোলে ভালো ছবিটা ফেসবুকের প্রোফাইল পিকচারে দেয় আর নইলে একটা ছবি তুলে সেটাই দেয়, সেই ছবি বেশীরভাগ সময়েই জাতীয়তা পরিচয়পত্রের ছবির মতো হয়। ফেসবুকের প্রোফাইল পিকচার পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সরকারী আইনকানুন বেশ কড়া, সরকারকে না জানিয়ে প্রোফাইল পিকচার পাল্টালে মোবাইল কোর্টে অনধিক দেড় মাসের কারাদন্ড হয়, আবার নিয়ম মেনে প্রোফাইল পিকচার পালটানো ঝামেলা, নোটারী পাবলিক দিয়ে এফিডেভিট করতে হয়, পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে হয়, তারপর ফার্স্টক্লাশ গেজেটেড অফিসার দিয়ে ছবি সত্যায়িত করাতে হয়।

দালাল ধরে নাই বলেই ফেসবুক অফিসে আজ শাওনের তৃতীয় দিন, দালাল ধরবে না সেটা তার জেদ, দালালের ফি ই বা সে পাবে কোথায়, এম্নিতেই ফেসবুক একাউন্ট খোলার যে সরকারী রেট সেই টাকা জোগাড় করতেই বাপের পকেটে হাত দিতে হয়েছে। সে বার্থ সার্টিফিকেট, জাতীয়তা পরিচয়পত্র, এসএসসি/এইচএসসি সার্টিফিকেট, কমিশনার থেকে সত্যায়িত করে আনা নাগরিকত্ব সনদ এর ফটোকপি আর পাসপোর্ট সাইজ দুই কপি ছবি জমা দিয়েছিলো। প্রথমবার কাগজপত্র দেখে সরকারী অফিসার গম্ভীর স্বরে বলেছে এইগুলা কিছুই হয়নাই, বার্থ সার্টিফিকেট নরমাল কাগজে ফটোকপি করে আনলে গ্রহনযোগ্য হবেনা, অফসেট কাগজে ফটোকপি করে আনতে হবে। দ্বিতীয়বার তাকে ফেরত যেতে হয়েছে ফটোকপিতে কালি বেশী হয়ে গেছে বলে, অফিসার বলেছে সেইটা নাকি ন্যাচারাল দেখাচ্ছে না পাল্টায়ে আনতে। সে জানতে চেয়েছিলো ফটোকপির ন্যাচারাল লুক জিনিসটা কি, তবে অফিসার ব্যস্ত ছিলো তাই উত্তর দেয়ার সময় ছিলোনা দূর দূর করে হাত নেড়ে চলে যেতে বলেছে।

বেলা তিনটা। আগারগাঁও জাতীয় ফেসবুক অফিস থেকে বেরিয়ে এসে সামনের টঙ এ একটা কলা আর বনরুটি খায় শাওন। সবশেষে একটা সিগারেট ধরিয়ে ধূয়ার সাথে দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে। তার আজো হয়নি, কি কারন দেখিয়েছে অফিসার সেটা বড় কথা না, দালাল ছাড়া কাজ হবেনা সেইটাই বড় কথা। বাড়ির পথ ধরে বাস স্ট্যান্ডের দিকে হাঁটতে হাঁটতে সে ভাবে এই ডিজিটাল বাংলাদেশ এই ফেসবুক তার না, ফেসবুক বড়লোকদের, যাদের টাকা আছে কিংবা লিঙ্ক লবিং আছে তাদের… বাসস্ট্যান্ডে বিটিসিএল এর বিলবোর্ডে চোখ পড়ে তার, বাংলাদেশ সরকার প্রযোজিত, আইসিটি মিনিস্ট্রি পরিচালিত ‘একটি বাড়ি একটি ফেসবুক একাউন্ট’ প্রকল্পের বিলবোর্ড। অভিমানে চিকচিক করে শাওনের চোখ…

(সংগৃহীত)
Read More »

বাংলাদেশকে নিয়ে একি বললেন মার্ক জুকারবার্গ ?

গতকাল আমেরিকার ওয়াশিংটনে ফেসবুক আয়োজিত এক সেমিনারে ফেসবুকের জনক মার্ক জুকার বার্গ বাংলাদেশ ফেসবুক বন্ধ করে দেওয়ার প্রতি তীব্র নিন্দাও প্রতিবাদ জানিয়েছেন । তিনি বলেছেন, ফেসবুক বন্ধ করে সরকার বিশ্ব থেকে বাংলাদেশকে আদালা করার পায়তারা করা হচ্ছে। তিনি আরাও বলেন অতিবিলম্বে যদি বাংলাদেশে সরকার ফেসবুক খুলে না দেয় তাহলে বাংলাদেশ কে সবরকম ইন্টারনেট সেবা থেকে বঞ্চিত করা হবে। তবে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমের পাঠানো চিঠি নিয়ে কিছুই বলে নাই তিনি। সেমিনারে আমেরিকা ভারত বেশ কয়েকটি দেশের বক্তরা এই বিষয়ে প্রতি আঙ্গুল তুলে তীব্র নিন্দা জানান। বাংলাদেশ ফেসবুক বন্ধ হওয়াতে ফেসবুক কোম্পানির বেশ কিছু ডলার এর ক্ষতি হচ্ছে, কারন বাংলাদেশের ই-কমার্স সাইট সহ অনেক কোম্পানিই ফেসবুক এ বিজ্ঞাপন দিত কিন্তু এখন সেটি হচ্ছে না। সেই ক্ষোভ থেকেই তিনি বাংলাদেশকে নিয়ে এমন মন্তব্য করেন।

উল্লেখ, গত ১৮ নভেম্বর থেকে ফেসবুক, ভাইবারসহ বেশকয়েকটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে মন্ত্রিসভার সদস্যসহ সরকারের অনেক উচ্চপদস্থত কর্মকর্তারা বিকল্প উপায়ে ফেসবুক ব্যবহার করছেন। আশা করি খুব দ্রুতই সকলের জন্য সরকার ফেসবুক উন্মুক্ত করে দিবেন।
Read More »

বাংলাদেশে ফেসবুক বন্ধ করার আসল কারণ

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ওজামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের মৃত্যুদণ্ডের চূড়ান্ত আদেশের পর থেকেদেশে ফেসবুকসহ কয়েকটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ রয়েছে। সাম্প্রতিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধের প্রতিক্রিয়া লিখেছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম এমপি।
 
পাঠকের জন্য তা তুলে ধরা হলো লেখাটি….
লেখাটি আমি “প্রতিমন্ত্রীর জায়গা থেকে লিখছি না”, লিখছি এ দেশের একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে- যে দেশকে ও দেশের মানুষকে ভালোবাসে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করেই কিন্তুু- চাঁদে কারো মুখ দেখার গুজবে প্রাণ হারিয়েছে বহু মানুষ, আবার একটি পোস্টের কারণে (সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে) বৌদ্ধ্য বিহারে চলেছে হামলা- আমরা সব ভুলে গেছি। ভুলে গেছি বহু দেশ আজকের দিন পর্যন্ত সেদেশগুলোর মানুষের নিরাপত্তার জন্য “ইন্টারনেট” পর্যন্তও সাময়িক বন্ধ রেখেছে। সেদেশের নাগরিকেরা দেশের বৃহত্তর স্বার্থে তা মেনে নিয়েছে, “টু” শব্দটি করেননি। হয়তো তারা ভাবছেন- “সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো দুর্ঘটনা ঘটার আগে “ সাময়িক বন্ধ ” রাখলে এই মানুষগুলোর জীবন ( FRANCE এর) বাঁচানো যেত কি?” আরেকটি ঘটনা বলি, পুলিৎজার পুরস্কার পাওয়া এক চিত্রগ্রাহক একটি ছবি তুললেন ক্ষুধার্ত এক শিশু এবং তার মুখোমুখি একটি শকুনের। ছবি হিসাবে অসাধারণ। তার সামনে ২টি বিকল্প ছিল- হয় তিনি ছবিটি তুলবেন, নয়তো শিশুটিকে দ্রুত তুলে নিয়ে নিকটবর্তী হাসপাতালে যাবেন। তার কাছে প্রথম বিকল্পটি আকর্ষণীয় মনে হলো। তিনি তুললেন অসাধারণ ছবিটি।
 
কিন্তু কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে শিশুটি মারা গেল। চিত্র গ্রাহক পেলেন “ পুলিৎজার পুরস্কার ”। কর্মের এক বিরল স্বীকৃতি। কিন্তু বিবেক তাকে তাড়া করলো সর্বক্ষণ- “যদি তখন ছবি না তুলে শিশুটিকে তিনি নিয়ে যেতেন নিকটবর্তী অস্থায়ী চিকিৎসাকেন্দ্রে, অন্তত বাঁচাবার চেষ্টা তো করতে পারতেন! ” অনুশোচনায় আত্মহত্যা করলেন তিনি।
আমরা বড় বেশি কঠিন, কঠোর হয়ে গেছি- তাই মানুষের জীবন বাঁচানোর চেষ্টাকে কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়। ধন্যবাদ সকলকে যারা মানুষের জীবন বাঁচানোর প্রচেষ্টাকে ব্যঙ্গ করেন, তিরস্কার করেন। এ জন্যই হয়ত মানুষের জায়গায় আসছে রোবট। রোবট হবার পথ থেকে খুব দূরে কি আমরা?
 
এবার একজন জনপ্রতিনিধির জায়গা থেকে লিখি- যার অনুরোধ পুরো লেখাটি ছাপাবার, খণ্ডিত আকারে নয়। বহুবার এই অনুরোধ করেছি, ফল পাইনি- খণ্ডিত সংবাদ বিভ্রান্তি ছড়ায়- এটুকু যেন ভুলে না যাই।
 
প্রথমত: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অস্থায়ীভাবে, সাময়িক সময়ের জন্য জননিরাপত্তার স্বার্থে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে, সরকারের জনজীবনের নিরাপত্তারক্ষার দায়িত্বের অংশ হিসাবে (আবারো উল্লেখ করছি) সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে।
 
দ্বিতীয়ত, লক্ষ্য করবেন এবার শীর্ষ দুই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায়ের আগে বা পরে দেশে বড় ধরনের কোনো নাশকতা ঘটেনি। ধর্মযাজকের উপর হামলাকারী গ্রেপ্তার হয়েছেন। বিশিষ্টজনদের প্রাণনাশের হুমকিদাতাও গ্রেপ্তার হয়েছেন । স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করলে জানতে পারবেন নাশকতার জন্য কতজন পরিকল্পনাকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সাময়িক বন্ধ রাখার জন্য এবার গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।
 
তৃতীয়ত, না, “মাথাব্যথার জন্য আমরা মাথা কেটে ফেলিনি” – কারণ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সবুজ সংকেত ও সরকারের নির্দেশনা পেলেই এসব মাধ্যম খুলে দেয়া হবে। সরকারের দায়িত্ব জনগণের নিরাপত্তা বিধান করা। যদি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম খুলে দেবার জন্য একটি প্রাণহানিও ঘটে তখন কিন্তু জনগণ সরকারকেই দোষারোপ করেন, করবেন। তাহলে জননিরাপত্তার স্বার্থে সরকার সাময়িক সহযোগিতা চাইলে তা দিতে আমরা কুণ্ঠিত হব কেন ?
চতুর্থত, বিকল্প ব্যবস্থা কি নেয়া যেত না? আমি দায়িত্ব গ্রহণ করেছি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে প্রায় সাড়ে চার মাস। এর মধ্যে সিম/রিম নিবন্ধন, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের কার্যক্রম জোরদার করা, ব্যান্ডইউথের দাম কমানো, টেলিটককে সক্ষম করা, বায়োমেট্রিকস চালু করা, ডাক বিভাগের জন্য E-Cash transfer সম্প্রসারণ ও ১১৮টি যানবাহন ক্রয় প্রক্রিয়া, MNP চালুর জন্য প্রক্রিয়া শুরুসহ দায়িত্ব পাবার ৩ দিনের মাথায় “প্রযুক্তি দিয়ে প্রযুক্তিকে মোকাবিলা” করার জন্যও কাজ শুরু করেছি।
 
প্রযুক্তি দিয়ে প্রযুক্তি মোকাবেলার জন্য আমি প্রতিমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নেবার পর -ইন্টারনেট সেফটি সলিউশন আমদানি করার প্রক্রিয়া শুরু করেছি যার মাধ্যমে দেশের বাইরের আপত্তিকর কনটেন্ট ফিল্টার্ড হয়ে দেশে প্রবেশ করবে, জনগণের ও নারীদের নিরাপত্তা বাড়বে। 11G দের DPI এর Capacity যাচাই করার এবং ৭দিনের মধ্যে উক্ত 11G দের তা জানিয়ে উপযুক্ত Capacity র DPI ও বসাবার জন্য (লাইসেন্সের শর্ত মোতাবেক)- নির্দেশনা দিয়েছি- ISP দের Database তৈরি, লাইসেন্স প্রাপ্তদের Database তৈরি সহ, যারা যত্রতত্র ইন্টারনেট সার্ভিস দিচ্ছেন তাদের বৈধভাবে শর্তপূরণ সাপেক্ষে লাইসেন্স নিয়ে সম্পূর্ণ Database তৈরি করা এবং সকল ISP রা কাদের সংযোগ দিচ্ছেন তার তালিকা তৈরি করার জন্য BTRC কে নির্দেশনা দিয়েছি।
এই কাজগুলো কিন্তু চলছে। ৩ মাস খুব বেশি সময় নয়, অচিরেই এর ফল পাবেন।
যারা জনস্বার্থে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার বন্ধ রেখে সাময়িক অসুবিধা মেনে নিয়ে নাশকতাকারীদের খুঁজে বের করতে, নাগরিকের জীবন বাঁচাতে সরকারকে সহযোগিতা করেছেন তাদের এই দেশপ্রেমের জন্য অকুণ্ঠ সাধুবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই, যারা ভিন্ন পথে এসব মাধ্যম ব্যবহার করে তাদের নিজেদের ID হ্যাক হতে পারে- এই সতর্কতাও দেয়া প্রয়োজন। যারা আমাকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ ও তিরস্কার করেছেন তাদের কাছে ব্যক্তি আমি জীবন বাঁচাবার চেষ্টা করার জন্য, রাষ্ট্রের একজন জনপ্রতিনিধি হিসাবে জননিরাপত্তা বিধানে ভূমিকা পালনে গর্বিত হয়েও ক্ষমাপ্রার্থী
সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক আমাদের সকলের দায়িত্ব জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এই কাজটি সততার ও নিষ্ঠার সাথে করার জন্য যারা আমাকে প্রবল তিরস্কার করেছেন তা আমি নতমস্তকে গ্রহণ করলাম কারণ হয়তো এ কারণে আজ কোথাও এক মায়ের সন্তান হাসিমুখে তার পাশে দাঁড়িয়ে আছে- অক্ষত। এ প্রাপ্তিটুকুও আমার জন্য কম নয়। কম নয় কারও জন্যই।
Read More »

ফেসবুক খুলছে না চুক্তির আগে — তারানা হালিম

বাংলাদেশের সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে ফেসবুকের সঙ্গে চুক্তি করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে গতকাল রবিবার একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষের কাছে। চিঠিতে তাদের বাংলাদেশে অ্যাডমিন বসানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ চুক্তি হলে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের সম্পর্কে তথ্য পেতে সরকারের কোনো বাধা থাকবে না। চুক্তি হওয়ার পরই দেশে ফেসবুক খুলে দেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে সরকার ফেসবুক বন্ধ করার পরও বিকল্প পথে যারা ফেসবুক ব্যবহার করছে, তারা গোয়েন্দা নজরদারিতে রয়েছে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।

গতকাল তারানা হালিম সাংবাদিকদের বলেন, ‘ফেসবুকের সঙ্গে চুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাদেরকে চিঠি লিখেছি। তাদের বলেছি তাদের একজন অ্যাডমিন বাংলাদেশে রাখার জন্য।’ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, এত দিন বাংলাদেশের সঙ্গে সরকারি পর্যায়ে ফেসবুক কিংবা গুগলের কোনো সমঝোতা চুক্তি না থাকায় কোনো তথ্য চেয়ে পায়নি সরকার। আর সঠিক তথ্য না পাওয়ায় ফেসবুক অপব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি। এ জন্যই ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) বিশেষ নির্দেশনা দেয় সরকার। গতকাল পাঠানো চিঠিতে বাংলাদেশে ফেসবুকের অ্যাডমিন বসানোসহ সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার প্রস্তাব করা হয়েছে।

কবে নাগাদ ফেসবুক খুলে দেওয়া হবে-সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে তারানা হালিম বলেন, ‘এই কথাগুলো আমাকে আহত করে। এখানে আমাদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কিছু নেই। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যখন মনে করবে এখন নিরাপদ, তখন খুলে দেওয়া হবে। আমাদের কাছে রাষ্ট্র ও জনগণের নিরাপত্তাবিধানই হলো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একজন নাগরিকের জীবনও আমাদের কাছে অনেক বড় বিষয়। জনগণের উচিত আমাদের এই কার্যক্রমকে সহযোগিতা করা।’

গতকাল দুপুরে সচিবালয়ের ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক অগ্রগতি ও উন্নয়ন পর্যালোচনা সভার শুরুতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তারানা হালিম বলেন, বিকল্প পথে যারা ফেসবুকসহ অন্য সামাজিক মাধ্যমগুলো ব্যবহার করছে, তারা আইন লঙ্ঘন করছে। তাদের সবার তথ্য গোয়েন্দা সংস্থার কাছে আছে। গোয়েন্দা সংস্থা তাদের কাউকে কাউকে গ্রেপ্তার করছে, আবার অনেককেই করছে না।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, যারা বিকল্প পথে ফেসবুক ব্যবহার করছে তারা একটি স্পেসিফিক ক্যাপাসিটির ব্যান্ডউইডথ ব্যবহার করছে, এটি তারা বেশি দিন করতে পারবে না। কারণ এই ব্যান্ডউইডথের ক্যাপাসিটিটা কম। দ্বিতীয়ত, ব্যান্ডউইডথের স্পিডটা অনেক কম। স্পিডটা যখন কম হয়, যে প্রক্রিয়ায় নাশকতাকারীরা সংগঠিত হয়ে নাশকতা কর্মকাণ্ড চালায়, সেটি অত দ্রুত করা সম্ভব হয় না। গতি দ্রুত হলে ট্র্যাক করা যায় না। গতি কম হলে সহজেই ট্র্যাক করা যায়। যারা বিকল্প পথে ব্যবহার করছে তাদের জেনে রাখা ভালো, তাদের আইডি হ্যাকড হতে পারে এবং এই সম্ভাবনা বেশি।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ইন্টারনেট সংযোগ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ না করে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলো শতভাগ বন্ধ করা সম্ভব নয়। পৃথিবীর কোনো দেশে, এমনকি যেখানে ফেসবুকের অ্যাডমিনও আছে, সেখানেও শতভাগ বন্ধ করা সম্ভব নয়।

এদিকে গতকাল সকালে ঢাকা আহছানিয়া মিশন আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ফেসবুক বন্ধ থাকার বিষয়ে তরুণ প্রজন্মকে ধৈর্য ধরতে হবে। খুব শিগগির ফেসবুক খুলে দেওয়া হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে বলেন, ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আশা করছি, শিগগিরই চুক্তি হয়ে যাবে। চুক্তি হয়ে গেলেই ফেসবুক খুলে দেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ভারত, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, দুবাইসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ফেসবুকের চুক্তি আছে। তাদের ওখানে ফেসবুকসংশ্লিষ্ট কোনো অপরাধ হলে ফেসবুকের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে অপরাধীদের ধরতে পারছে।
এ বিষয়ে র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল জিয়াউল আহসান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ফেসবুকের সঙ্গে চুক্তি হলে আমাদের জন্য অনেক উপকার হবে। ফেসবুকসংক্রান্ত অনেক অপরাধের অভিযোগ আসে আমাদের কাছে। সেসব অপরাধ রোধে কার্যকর ভূমিকা নেওয়া যাবে।’

সূত্র জানায়, গত জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ছয় মাসে ১৭ জনের তথ্য চেয়ে ফেসবুকের কাছে আবেদন করে সরকার। কিন্তু কোনো তথ্যই দেয়নি ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। অথচ পাশের দেশ ভারত এ বছর ৯ হাজার ব্যক্তির তথ্য চেয়ে চিঠি দিলে সাড়ে পাঁচ হাজারের বেশি আইডির তথ্য দিয়েছে ফেসবুক।
Read More »

ফেসবুক কর্মীদের যা করতে বাধ্য করা হচ্ছে

সাধারণ অ্যান্ড্রয়েড ফোন আর কচ্ছপের মতো ধীরগতির ইন্টারনেট! উন্নয়নশীল দেশগুলোর ফেসবুক ব্যবহারকারীর কত কষ্ট করেই না ফেসবুক চালান! এদের ধরেই কিন্তু ফেসবুক ব্যবহারকারী দিন দিন বাড়ছে। অথচ ফেসবুকের কর্মীরা অফিসে বসে দামি আইফোন আর ফোরজির মতো দ্রুতগতির ইন্টারনেট ব্যবহার করবেন! সেটি আর হচ্ছে না। ফেসবুকের কর্মীদেরও বুঝতে হবে সাধারণ ফেসবুক ব্যবহারকারীদের কষ্ট।
তাই, ফেসবুকের বিশাল সংখ্যক কর্মীর ফোন ব্যবহারে কিছুটা বাধ্যবাধকতা আনছে কর্তৃপক্ষ। আইফোন ব্যবহার করতে পারবেন না তাঁরা। অনিচ্ছায় হলেও তাঁদের অ্যান্ড্রয়েড ফোনই ব্যবহার করতে হবে। কারণ, তাঁদের অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। ফেসবুকের প্রধান পণ্য বিষয়ক কর্মকর্তা ক্রিস কক্স ফেসবুকের কর্মীদের অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারের ওপর কঠোর নির্দেশনা জারি করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের উইয়ার্ড ডটকমকে শুক্রবার কক্স বলেছেন, ‘আমার টিমের সবাইকে আইফোন বাদ দিয়ে অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করতে বলেছি, কারণ, মানুষ যখন তাঁর নিজস্ব ফোন বাদ দিয়ে নতুন ফোন কেনার কথা ভাবে তখন আইফোনের কথা ভাবে।’
কক্স বলেন, যদি কেউ ভাবেন যে, অ্যাপলের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর জন্য এ পদক্ষেপ তাহলে ভুল করবেন। আবার কেউ যদি ভাবেন গুগলকে সমর্থন করতে আমরা অ্যান্ড্রয়েড বেছে নিচ্ছি তাও ভুল করবেন। আমাদের এটা বাস্তবসম্মত একটি সিদ্ধান্ত।
কক্স আরও বলেন, বর্তমানে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ফেসবুকের ব্যবহার বাড়ছে। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারকারী বেশি। এ ধরনের অ্যান্ড্রয়েড ফোনব্যবহারকারীর কারণেই ফেসবুকের ব্যবহার বাড়ছে, আইফোনের কারণে নয়।
ফেসবুক যেহেতু আরও বেশি মানুষকে টানতে চাইছে, তাই কক্স মনে করেন, তার টিমেরও বিশ্বের জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহার করা উচিত। এতে তারা সফটওয়্যার ত্রুটি ধরতে পারবেন। পাশাপাশি অ্যান্ড্রয়েড ফোন থেকে ব্যবহারকারীরা কী ধরনের সমস্যায় পড়েন সেটাও ধরতে পারবেন।
এদিকে, ফেসবুক সম্প্রতি ‘টুজি টুয়েজডে’ নামের একটি উদ্যোগ নিয়েছে। এর মাধ্যমে ফেসবুকের কিছু কর্মী মঙ্গলবার দিন সবচেয়ে কম গতির ইন্টারনেট বা টুজি নেট ব্যবহার করবেন। এর ফলে কম গতির ইন্টারনেট ব্যবহার করে ফেসবুক ব্যবহার করার সময় কী সমস্যা হয় সেটা তারা বুঝতে পারবে। এ ছাড়াও কম গতির ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য প্রয়োজনীয় সেবা উদ্ভাবনেও কাজ করার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা পাবেন তাঁরা। তথ্যসূত্র: আইএএনএস, বিজনেস ইনসাইডার
Read More »